রিপন আহমেদ :
গত কয়েকদিন ধরে কুষ্টিয়ার ভেড়ামারা শহরসহ গ্রামঞ্চলে কুয়াশা, হালকা বাতাস আর প্রচন্ড শীতে জরাজীর্ণ জনজীবন যাত্রা। নি¤œ ও নি¤œ মধ্যবিত্ত আয়ের মানুষেরা ফুটপাতের দোকান গুলোতে ভীড় করছে। রেলষ্টেশনের মানুষেরা শীতের মধ্যে তাদের কে আগুন পোহাতে দেখা যাচ্ছে।
প্রচন্ড শীতের প্রকোপে বিপর্যস্ত নি¤œ ও নি¤œ মধ্যবিত্ত আয়ের মানুষের। গবাদি পশুরাও অতিরিক্ত শীতে আক্রান্ত। শিশু ও বয়স্ক মানুষ বেশী বিড়ম্বনা পড়েছে। বাড়তে পারে শীতজনিত রোগের প্রাদুর্ভাব। নি¤œ আয়ের মানুষ ও সহায় সম্বলহীন ছিন্নমুল মানুষ তাদের মাথা গোঁজার ঠাঁয় নেই । তারা ভয়াবহ কষ্টে দিন যাপন করছে। বিভিন্ন সরকারি প্রতিষ্ঠানের বারান্দা অথবা রেলষ্টেশনের খোলা জায়গায় সামান্য শীতবস্ত্র বা শীতবস্ত্র বিহীন তাদের কষ্টের বর্ণনা দেয়া দুস্কর। ভেড়ামারার সকল বিত্তবান, সামর্থ্যবান মানুষের মানুষকে শীতে জ্বরাজীর্ণ, ভেড়ামারার দরিদ্র, সহায় সম্বলহীন মানুষের শীত কষ্ট নিবারণে তাদের পাশে দাঁড়ানো ও তাদের জন্য একটু সহায়তার হাত বাড়ানোর আবেদন এই সকল কষ্টে থাকা মানুষগুলোর। নি¤œ ও নি¤œ মধ্যবিত্ত আয়ের মানুষেরা ফুটপাতের দোকান গুলোতে ভীড় করছে। রেলষ্টেশনের মানুষেরা শীতের মধ্যে তাদের কে আগুন পোহাতে দেখা যাচ্ছে।
ভেড়ামারা উপজেলা নির্বাহী অফিসার আকাশ কুমার কুন্ডু বলেন, ইতিমধ্যে দরিদ্র, সহায় সম্বলহীন মানুষের মধ্যে কম্বল দেওয়া হয়েছে। সরকারি ভাবে বরাদ্দ পেলে আবারও দরিদ্র ও সহায় সম্বলহীন মানুষের মধ্যে শীতের সামগ্রী দেওয়া হবে।
ভেড়ামারা বিনামূল্যে চিকিৎসালয়ের সভাপতি সাংবাদিক শাহ্ জামাল বলেন, প্রতিবছরই প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে শীতবস্ত্র বিতরন করা হয়। এবছর হঠাৎ করেই অত্যাধিক বেশি শীত অনুভুত হওয়ায় সোমবার রাত থেকে ছিনমূল এবং হতদরিদ্র মানুষের বাড়িতে বাড়িতে গিয়ে কম্বল বিতরন কার্যক্রম শুরু হয়েছে। তিনি বলেন, এ কার্যক্রম চলমান থাকবে। তিনি সকল শ্রেনী পেশার মানুষ কে সামর্থ অনুযায়ী আশে পাশের হতদরিদ্র শীতার্থ মানুষদের শীতবস্ত্র বিতরনের জন্য অনুরোধ জানান।